১০ বছরের ছেলের সাথে বিয়ে হলো ১২ বছরের মেয়ের

সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রতিদিন অনেক কিছুই হতে দেখা যায় মাঝে মাঝে অনেক অদ্ভুত বিস্ময় ভাইরাল হয়ে থাকে সোশ্যাল মিডিয়াতে। সম্প্রতি দুজন বাচ্চা ছেলে মেয়ের ছবি ভাইরাল হয়েছে। ১০ বছরের ছেলে বরের পাঞ্জাবিতে ও ১২ বছরের মেয়ের লাল শাড়িতে বউয়ের সাজে। মনে হচ্ছে মাত্র বিয়ে হয়েছে সত্যিই কি বিয়ে হয়েছে তাদের, বিয়ে না হলে এই ছবিগুলো কিসের?

বিয়ে হলেই বা কেন বিয়ে হলো এত কম বয়সে? সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রায়ই এমন অনেক ভিডিও দেখা যায় তবে এসব অনেক ঘটনাই সত্যি হয়না। বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়াতে সত্য ঘটনার চেয়ে গুজবই বেশি। কিন্তু রিসেন্টলি ভাইরাল হওয়া এই ছবিগুলো গুজব নয়, শরীয়তপুরের ঘটে এই ঘটন। শরীয়তপুরে কোন এক গ্রামে ১০ বছরের ছেলের সাথে ১২ বছরের মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয় পারিবারিকভাবে। সেই ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে, অনেকেই অনেক ধরনের মন্তব্য করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার শেয়ার করছে ছবিগুলো। অনেকে আবার এটাও জানতে চাইছে এত কম বয়সে কেন তাদের বিয়ে দেওয়া হলো। কেউ কেউ বিষয়টাকে সাপোর্ট করে বলছে বর্তমানে ছেলেমেয়েরা প্রেম ভালোবাসার নামে যেভাবে উচ্ছৃংখলতার সৃষ্টি করছে তার চেয়ে বিয়ে করিয়ে দেওয়া অনেক ভালো হয়েছে। অনেকেই কমেন্ট করে লিখেছেন এই বয়সে আমরা পুতুল পুতুল খেলতাম আর এখনকার জেনারেশন বিয়ে করে ফেলছে।

আবার কেউ কেউ লিখেছেন বিয়ে কি জিনিস তা কি জানে এই পিচ্চিরা?। আবার কেউ কেউ মজা করে লিখছেন এই ছবিগুলো আমাদের বাবা মাকে দেখা উচিত যাতে খুব তাড়াতাড়ি আমাদের বিয়েটা দিয়ে দেয়। এমনি বিভিন্ন রকমের মন্তব্য করছে বিষয়টি নিয়ে। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানতে গিয়ে জানা যায় এক অদ্ভুত কথা, জেলা শরীয়তপুর ওদের গ্রাম উত্তর কান্দি আর এই ছেলের বয়স ১০ বছর না ওর আসল বয়স ১৮ বা ১৯ এর চেহারা এমন বাচ্চা বাচ্চা লাগে ওর বয়স আঠারো উনিশ বছর। এই ছেলের বয়স ১০ বছর হলে হয়তো কোন ফ্যামিলি বিয়ে দিত না, তাছাড়া এত ছোট ছেলেকে তার চেয়ে বয়সে বড় মেয়ের সাথে কোন বাবা-মা ই বিয়ে দিবে না। তবে সবাই ছেলেটির বয়স ১০ বছর ভেবেই ছবিগুলো শেয়ার করছে।

যাই হোক ছেলেটির বয়স যদি ১৯ হয় তাহলে হয়তো মেয়ের বয়স হবে ১৬ কিংবা ১৭ তাদের এখনো বিয়ের বয়স হয়নি। সরকারি আইন অনুযায়ী এটি বাল্যবিবাহের আওতায় পড়ে, অর্থাৎ যেকোনো কারণেই তাদের বিয়ে হোক না কেন এটা একটা অপরাধ। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে এসব শেয়ার করে মজা না নিয়ে প্রতিবাদ করা উচিত।

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *