৩০ বছরে’র তরুণীকে বি’য়ে করলেন ৬৫ বছরে’র চিকিৎসক

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ । অর্থ: কোন মাবুদ নাই আল্লাহ ছাড়া। একটু বিশ্লেষণ: লা মানে নাই । ইলাহা মানে কোন মাবুদ । লা ইলাহা, অর্থ: কোন মাবুদ নাই । অর্থ্যাৎ মাবুদ হিসেবে কাউকে মানি না । ইল্লাল্লাহ মানে আল্লাহ ছাড়া। ইল্লা অর্থ: ছাড়া, আল্লাহ মানে

আল্লাহ । পুরো অর্থ: কোন মাবুদ নাই আল্লাহ ছাড়া । বিশ্লেষণ করার পর অর্থ: আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে মাবুদ হিসেবে মানি না । মাবুদ মানে ইবাদতের যোগ্য বা উপযুক্ত। তাহলে আমি বিশ্লেষণের পর অর্থ: পাইলাম । আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য বা উপযুক্ত অন্য কেউ নাই । অর্থ্যাৎ আমি শুধুমাত্র মহান আল্লাহর ইবাদত করবো আর কারো ইবাদত করবো না । প্রথম কথা হলো লা ইলাহা । মানে কোন মাবুদ নাই । এর মানে হলো কাউকে ও আমার ইবাদত পাওয়ার যোগ্য বা উপযুক্ত মানি না । ইল্লাল্লাহ

মানে আল্লাহ ছাড়া । মানে শুধুমাত্র মহান আল্লাহ কে ইবাদতের উপযুক্ত মেনে নিয়েছি । এখানে প্রথম দুইটা শব্দ লা ইলাহা অস্বীকার বাচক । কোন মাবুদ নাই । অর্থ্যাৎ কাউকে ইবাদতের যোগ্য বা উপযুক্ত মানি না ।

পরের দুইটা শব্দ ইল্লাল্লাহ । স্বীকার বাচক । আল্লাহ কে ইবাদতের যোগ্য এবং উপযুক্ত মানিয়া নিছি । আবার রিপিট করছি । প্রথম দুইটা শব্দ পৃথিবীর কোন কিছুকেই মাবুদ হিসেবে মেনে নেয়াকে পরিপূর্ণ রূপে অস্বীকার করলাম । দ্বিতীয় দুইটা শব্দে একমাত্র মহান আল্লাহ পাককে যাবতীয়

ইবাদতের একক সত্ত্বা হিসেবে মানিয়া লইলাম । এই কালিমার মধ্যেই রয়েছে ঈমান । বুঝে এই কালিমা বলবে এবং তার হক আদায় করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে । কালিমার অন্য আরেকটা অংশ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ । মুহাম্মদ মানে মুহাম্মদ সা । রাসূল মানে রাসূল (বার্তা বাহক) আল্লাহ মানে আল্লাহর । অর্থ্যাৎ মুহাম্মদ সা আল্লাহর প্রেরিত রাসূল ।

পুরো কালিমা এক সাথে । লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ । অর্থ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নাই, মুহাম্মদ সা আল্লাহর প্রেরিত রাসূল । এখানে যদি সত্য কথাটা মাঝখানে প্রবেশ করালে অর্থটা আরো সুন্দর হবে । কেননা আরবিতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ শব্দের অনুবাদ করা হয়েছে লা মাবুদা বেহাক্কিন ইল্লাল্লাহ । অর্থ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন সত্য মা’বুদ নাই । কারণ অনেক মিথ্যা মাবুদ পৃথিবীতে পাওয়া যায় ।

সমস্ত মিথ্যা মাবুদ কে অস্বীকার করে একমাত্র সত্য এবং প্রকৃত মাবুদ কে স্বীকার করার নাম হলো ইসলাম । এই কালিমার মধ্যেই যাবতীয় ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য করার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে । এবং যাবতীয় ইবাদত মুহাম্মাদ সা এর তরিকায় করার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে । জীবনের উদ্দেশ্য হলো শুধুমাত্র মহান আল্লাহর ইবাদত করার জন্য ।

মহান আল্লাহ পাক যতো নবী রাসূলদের এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন সকলের এই একই দাওয়াত ছিল, শুধুমাত্র মহান আল্লাহর ইবাদত করো, মহান আল্লাহ পাক ছাড়া তোমাদের অন্য কোন সত্য মা’বুদ নাই । আপনার জীবনের উদ্দেশ্য যেনো হয় শুধুমাত্র এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর দ্বাসত্ব । আপনার জীবন, আপনার মরন, আপনার নামাজ, আপনার কুরবানী, আপনার সকল ইবাদত হবে শুধুমাত্র মহান

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য । এবং হুকুম দাতা এবং আইন করার অধিকার একমাত্র আল্লাহর । মুসলিম শাসকগন আল্লাহর খলিফা হিসেবে আল্লাহর আইন আল্লাহর জমিনে বাস্তবায়ন করবেন । সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ , বিধান চলবে আল্লাহর , আপনি এই কালিমা পড়ে মহান আল্লাহর সমস্ত হুকুম আহকাম মানিয়া নিলেন, জান্নাতের বিনিময়ে।

এবং সকল কর্মে আপনি অনুসরণ করবেন নবী মুহাম্মদ সাঃ কে । মুহাম্মদ সাঃ হলেন মহান আল্লাহর নিকট হতে সর্ব শেষ রাসূল । তার পরে আর কোনও নবী রাসূল পৃথিবীতে আসবে না । মুহাম্মদ সাঃ এর মাধ্যমেই মহান আল্লাহ পাক নবী রাসূলদের ধারাবাহিকতা বন্ধ করে দেন । এখন পৃথিবীর সকল মানুষ কে মুহাম্মদ সাঃ এর আদর্শকেই মানতে হবে , আর কারো আদর্শ মানা যাবে না, অন্যেথা জাহান্নামের আগুন হতে

বাঁচার কোন উপায় নাই । মহান আল্লাহ পাক যত নবী রাসুল এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন সকলের এই একই দাওয়াত একই কথা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” । ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য অন্য কোন সত্য মা’বুদ নাই।’ এই কালিমা পড়ে আপনি একমাত্র আল্লাহর ইবাদত বা দ্বাসত্ব মেনে নিয়েছেন, এবং সমস্ত মাখলুকাতের দ্বাসত্ব এবং প্রবৃত্তির দ্বাসত্ব ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন ।

এবং মুহাম্মদ সাঃ কে আপনার একমাত্র এবং চূড়ান্ত সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মেনে নিলেন, মুহাম্মদ সা এর আদর্শের বিরোধী সব আদর্শই ভুল গোমরাহী ও পরিত্যাজ্য ।

রাজশাহীতে ৩০ বছরের তরুণীকে বিয়ে করলেন ৬৫ বছরের চিকিৎসক। তিনি হলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ ও বিএমএ রাজশাহী শাখার সাবেক সভাপতি এস আর তরফদার এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে। গত এক স’প্তাহে তারা বিয়ে করেন। নববধূকে নিয়ে এরই মধ্যে সংসারও শুরু করেছেন এস আর তরফদার। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম রুপা খাতুন (৩০)। তিনি ম’হানগরীর হেতেম খাঁ সবজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

তার বাবা চাল ব্যবসায়ী জানা যায়, মাস তিনেক আগে এসআর তরফদারের প্রথম স্ত্রী মা’রা যান। এরপর স’প্তাহ খানেক আগে আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তিনি। তার কোনো সন্তান নেই। এদিকে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজশাহী চিকিৎসকরা। ফে’সবুকে ছবি প্রকাশ হওয়ার পরে তারা এই দম্পতির দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং অ’ভিনন্দন বার্তা দেন।

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published.