রোজা রাখার ‘উপকারিতা’ জানুন

পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়ে গেছে। বিশ্ব মুসলিম সমাজের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতের মাস।সারা বছর ধরে মুসলিম জাতি এই মাসটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে অধীর আগ্রহে।

ভোর রাতে সেহরি খেয়ে রোযা রাখার উদ্দেশ্যে আমরা নিয়ত করি। সারাদিন খাবার পানি থেকে বিরত থাকার শপথ করি। সারাদিন সবরকম খাবার পানীয় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি রোযা আমাদের শিখায় সবরকম পাপাচার থেকে দূরে থাকতে, নিত্য অভ্যস্ত জীবনধারাতে মশগুল না থেকে ইবাদত কাজে নিয়োজিত হতে,দান সদকা করতে।






শুধু মুসলিম জাতি ই না অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরাও বিশেষ বিশেষ সময়ে রোযা রেখে থাকে। যেমন -হিন্দু,বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা তাদের কিছু বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রোযা রাখে।

আমরা সকলেই রোযা ইবাদত হিসেবে পালন করে থাকলেও রোযা রাখার মাধ্যমে আমাদের শারীরিক অনেক উপকার ও হয়। রোযা রাখার উপকারিতা গুলো হলোঃ

১.শরীরে ইনসুলিনের সমতা বজায় রাখে এবং রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়।

২.কোষীয় বিষ অপসারণ করতে সাহায্য করে।

৩.ওজন কমায়,পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।






৪.ব্যথা কমায়।

৫.ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৬.রোযা রাখার ফলে শরীরের বিভিন্ন কোষের মেটাপলিজম শক্তিশালী হয়।ফলে আয়ু বাড়ে।

৭.মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ক্রিয়া উন্নত করে।

৮.ভালো ঘুম হয়।

৯.আল্জহেইমের ঝুঁকি কমায়।






১০.হার্ট বা হৃদয় ভালো রাখে।

চারপাশের অসুস্থ পরিবেশে যখন আমরা শরীর মন কে সুস্থ রাখতে সদা ব্যস্ত, রোযা তখন হতে পারে উত্তম উপায়। কেবল কোন মাস বা বিশেষ অনুষ্ঠান নয় শরীরকে ভালো রাখতে সুস্থ রাখতে মাঝেমধ্যেই আমরা রোযা রাখার চেষ্টা করতে পারি। এতে করে ইবাদত করা হবে,রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টি অর্জন হবে ইনশাআল্লাহ আর শারীরিক এত সব উপকারিতা তো আছেই।।

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *