মাটি খুড়তেই ‘২১৬টি’ স্বর্ণমুদ্রা পেল ‘গরীব শ্রমিক’

একটি জায়গা খননকালে দুজন ব্যক্তি সোনার মুদ্রা পেয়েছিলেন। জাতারা প্রশাসনের কাছ থেকে গোপন করে বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তারা ব্যর্থ হন এবং পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান। ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের পুনের পিম্পরি-চিন্চ্বাদ চিখালি অঞ্চলে হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে নির্মাণকাজে খননকালে একুশটি সোনার কয়েন উদ্ধার করা হয়েছে যা তারা লুকিয়ে রেখেছিলেন। তারা ভেবেছিল যে সোনার মুদ্রা বাজারে বিক্রি করে তারা অর্থ উপার্জন করবে।






তবে তারা এটা ঘটাতে পারেনি এবং তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ প্রকাশ মামলাটির তথ্য দিয়ে বলেন খননকালে একুশটি সোনার কয়েন উদ্ধার করা হয়েছে।

মুদ্রাগুলি পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে মুদ্রাগুলি মুঘল আমলের। মুদ্রার ওজন প্রায় 2357 গ্রাম। পুলিশ নায়ক জমির কাম্বলিকে খবর দেওয়া হয়েছিল যে ভিট্টাল বস্তিতে থাকা সাদ্দাম খান পাঠান নামে এক ব্যক্তি বাজারে কিছু সোনার মুদ্রা বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। ওই ব্যক্তিকে সন্দেহ করা হলে তম্বলি তার পিছু পিছু নিয়ে তার কুড়ে ঘরটি অনুসন্ধান করে।






জিজ্ঞাসাবাদে পাঠান পুরো বিষয়টি পুলিশকে জানিয়ে ছিলেন। পাঠান পুলিশকে জানিয়েছিল যে তার শ্বশুর মোশারফ মোবারক শেখ এবং শ্যালক মেঘনা ইরফান শেখ পুনের একটি নির্মাণ সাইডে খননকালে এই মুদ্রাগুলি খুঁজে পান। এই মুদ্রাগুলি সম্পর্কে কেউ জানত না এবং তারাও কাউকে এই মুদ্রা গুলি সম্পর্কে জানাননি।

পাঠান এর মধ্যে তিনি তার শশুর এবং শ্যালকের নির্দেশে মুদ্রাগুলি বিক্রির চেষ্টা করছিলেন। তারা এই মুদ্রাগুলি বাজারে বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। এই মামলায় আসামি সাদ্দাম পাঠান ও মোবারক শেখ উভয়কে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।






অপর আসামি পলাতক রয়েছে তথ্যমতে এই মুদ্রা গুলিকে মুঘল আমলের বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই মুদ্রাগুলি 1720 থেকে 1750 পর্যন্ত ওরঙ্গজেব এর রাজত্বকালের। এই মশাগুলো প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মুদ্রাগুলি কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল সেখান থেকেও নির্মাণ সাইটগুলি তদন্ত করা হচ্ছে।

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published.