মমতার পাশে দাড়ানো কে এই ভাইরাল ‘বাচ্চা মেয়ে’

ট্রেন্ড তৈরি করছেন আজানিয়া। কে বলুন তো? গুগলে সার্চ করলেও এই নয়া ট্রেন্ড সেটারের সম্বন্ধে বিশেষ তথ্য পাবেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তে কার্যত ভাইরাল এই মেয়ের ছবি। ভিকট্রি সাইন দেখিয়ে সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ছবি উঠেছে একের পর এক। আর তা এখন ভাইরাল সোশ্যাল মাধ্যমে। সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাতনি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় কন্যা। আর এই মেয়ে ট্রেন্ড সেটার কী করে হল?






ফিরে যাওয়া যাক ২০১৬ সালে। সেই বছর বামেরা তৃণমূলের প্রধান বিরোধী। মাঠের ধারে কাছেও নেই বিজেপি। তো সেই বছর টিম মমতা ২১১ বামেদের জোট সাকুল্যে ৭০ আর বিজেপি তখন দুই। সেদিনও কালীঘাটে তখন উৎসবের মেজাজ ছিল। ছিল না শুধু করোনা। তৃণমূলের উচ্ছাসে বাঁধ ভেঙেছে। কালীঘাটের হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটে বাড়ি মানুষে ঠাসা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাইরে বেরিয়ে এলেন। পাশে একটি ছোট্ট মেয়ে। সে হাঁ করে দেখছে। ‘

কি কাণ্ড রে ভাই’ এমন একখানা তার অভিব্যক্তি। সবাই বলছেন মমতা ব্যানার্জি জিন্দাবাদ। তারপর হাতের আঙুল দুটোকে ভি-এর মত করে ক্যামেরার সামনে ছবি তুলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাচ্চা মেয়ে কান্ডকারখানা দেখে চমকে গিয়েছে। ঠাকুমা এসে তাকে বলেছিলেন, ‘এই দেখো, ওইরকম নয়, এমন করে। আঙুল দুটোকে একে অপরের থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখবে। এটাকে বলে ভিকট্রি সাইন’। আনাজিয়া কপি করল। আজানিয়ার সেটা ছিল ভিকট্রি সাইন শিক্ষার প্রথম পাঠ।

রিল ফাস্ট ফরোয়ার্ড। ২মে, ২০২১। পাঁচ বছর পেরিয়েছে। এবারও সন্ধ্যাবেলায় মানুষের ভিড়। তবে সবাই ক্যামেরাওয়ালা। পতাকাওয়ালাদের ভিড় তুলনামূলক কম। কারন করোনা। এবারে টাফ ফাইট জিতে মমতা আরও শক্তিশালী। ২১৩ । বিরোধী বিজেপি ৭৭।






আর পাঁচ বছর আগের সেই বাম আজ শূন্য। যাক, আসা যাক সেই মুহূর্তে। সেই মিষ্টি মেয়ে এবার একবারে ঠাকুমার হাত ধরেই এলেন। এবার সে ঠাকুমার কথা সে শুনল। কতটা বুঝল তা বলা মুশকিল। শুধু এটুকু বুঝে গিয়েছে বাবা, ঠাকুমা জিতে গিয়েছে একটা লড়াই। অতএব ভিকট্রি সাইন। এবার আর তাকে শেখাতে হয়নি। বলতেও হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাইন দেখাতেই সঙ্গে সঙ্গে সেও রেডি ভিকট্রি সাইন নিয়ে। ঝটপট ক্যামেরা বন্দি সেই ছবি।

কিছুদিন আগে তার বাড়িতে যখন সিবিআই হানা দিয়েছিল। সেদিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তাকে বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছিল। সেদিন মেয়ের মুখ ছিল ভারী। আজ তার আনন্দের দিন। রাজনীতির জটিল অঙ্ক সে জানে না। সে শুধু জানে, ‘আজকে মোদের বড়ই খুশির দিন’। আর সেই ছবি আজ ভাইরাল সোশ্যাল মাধ্যমে। যেন বলে দিচ্ছে ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’।






লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’! ‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published.