দুধ বিক্রি থেকে জীবন শুরু করে ব্যাংক প্রতিস্থাপন, পড়ুন ‘বন্ধন ব্যাংক’-এর ‘CEO কাম MD চন্দ্রশেখর’ ‘ঘোষের সাফল্যের কাহিনী’

একজন ব্যক্তি নিজের কঠোর পরিশ্রম এবং দক্ষতার দ্বারা বিশ্বের ধনী ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। এই কথাটি বন্ধন ব্যাংক-এর সিইও চন্দ্রশেখর ঘোষ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তার সাফল্যের গল্প সবার কাছে অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি এক সাধারন মিষ্টির দোকানের মালিকের বড় ছেলে ছিলেন।






তিনি ছোটবেলায় দুধ বিক্রি করতেন। আর এখন তিনি নারীদের দু লক্ষ টাকা করে ঋণ দেন। তার জন্ম ত্রিপুরার আগরতলায়। তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেক লড়াইয়ের সম্মুখীন হয়েছিলেন। এখন তার ব্যাংক 21 টি ব্যাংকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

তার বাবার দোকান থেকে যা আয় হতো সেটা সংসারেই ব্যয় হয়ে যেতো পুরোটা। তবে তার বাবা ছিলেন তার ছেলে শিক্ষিত হোক। তার বাবা তার পড়াশোনার জন্য অর্থ ব্যয় করেছিলেন এবং তারপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকের ডিগ্রী অর্জন করেন।

তিনি পাঁচ হাজার টাকা বেতনের চাকরি ও করেছেন। এরপর তিনি 1990 সালে কিছু আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বাংলাদেশের মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে এমন গ্রাম্য কল্যাণ সমিতি নামে একটি এনজিওতে প্রোগ্রাম প্রধান হিসাবে কাজ শুরু করেন।






তিনি দেখেন যে স্বল্প অর্থের পরিমাণ থাকা সত্ত্বেও মহিলারা তাদের নিজেদের ব্যবসা শুরু করছেন। এর পরে তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নেন যে তাদের অর্থ সহায়তা করবেন এবং তিনি এমন একটি ব্যাংক বানাবেন। তিনি তার এই স্বপ্নকে একটি রূপ দেন এবং এর নাম রাখেন বন্ধন ব্যাংক।

এবং আজ বন্ধন ব্যাংক এর প্রায় 2000 টি শাখা রয়েছে যার বাজারমূল্য প্রায় 30 হাজার কোটি টাকা। চন্দ্র শেখর ঘোষ দ্বারা শুরু করা বন্ধন ব্যাংক, দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্যের অবসান ঘটাতে চায়, যাতে কারও অভাবজনিত জীবনযাপন করতে না হয়।






তিনি এখন ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্ব পর্যায়ে একটি আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রায়ণ সংস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন, যা প্রায় ১ কোটি মানুষকে সেবা দেবে।।

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *