সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিগ টিকিট ‘রাফেল ড্রয়ে’ ‘১৫ মিলিয়ন দিরহাম’ পেলেন ‘এক প্রবাসী’

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৃহস্পতিবার আবুধাবি বিগ টিকিট রাফেল ড্রয়ে এক প্রবাসী ১৫ মিলিয়ন জ্যাকপট জিতে । তারা সহকর্মীদের সাথে বাইরে ঘুরছিলেন তখন আবুধাবি বিগ টিকিটের ১০০ দিরহাম শেয়ার করে টিকেট কিনেছিল

আর তা হঠাৎ করে ১৫ মিলিয়ন দিরহাম হয়ে যায়, এটি তার আটটি বন্ধুর সাথে ভাগ করে নেবে। খলিজ টাইমসকে রসিকা জানিয়েছেন “যখন আমি কল পেয়েছি, আমি বিশ্বাস করতে পারি না রিচার্ড (বিগ টিকিট হোস্ট) লাইনের অন্য প্রান্তে রিচার্ড ছিল। আমি ভেবেছিলাম যে কেউ আমাকে কল করেছে ”।

২০০৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসাএকজন শ্রীলংকা ইঞ্জিনিয়ার যিনি দুবাইয়ের সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের কয়েকটি প্রকল্পে কাজ করেন । তিনি রাস আল খাইমায় থাকেন এবং প্রতিদিন দুবাই ভ্রমণ করেন।






তিনি বলেন “আমার পরিবার শ্রীলঙ্কায় আছে এবং এই অর্থ দিয়ে আমি তাদের দুবাই নিয়ে আসার এবং তাদের জীবনযাত্রার একটি ভাল মানের দেওয়ার পরিকল্পনা করছি। আমি যে পরিমাণ অর্থ জিতেছি তা দিয়ে ব্যবসা শুরু করারও আশাবাদী, “তিনি আরও বলেন, তিনি তার বোন ও বাবা-মায়ের জন্য বাড়ি ফিরে বাড়ি তৈরি করার দিকেও নজর রাখছেন।

বিজয়ী বিগ টিকিটের জন্য মোট নয় জনকে বিভক্ত করেছেন, রসিকার ভাগ সবচেয়ে বেশি। রসিকা ছাড়াও বৃহস্পতিবার আরও একটি এক্সপ্রেট কোটিপতি হয়ে যায়। আল আইনে বসবাসকারী ফিলিপিনা ক্রিস্টিন বার্নাডা ১ মিলিয়ন দিরহাম অর্জন করেছিলেন।

আরো পড়ুন ঃ গত ১৮ মে আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘পাসপোর্টে তথ্যাদি সংশোধন’ বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর অসংখ্য প্রবাসী নিজ নিজ পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের জন্যে চিন্তা করছেন।

অনেকে দূতাবাস ও কনস্যুলেটে যোগাযোগ করেছেন। কেউ কেউ সাংবাদিকদের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে পাসপোর্টে থাকা বয়স, বাবার নাম, মায়ের নাম ও নিজের নাম সংশোধনের বিষয়টি প্রাধান্য দিচ্ছেন।

কথা হচ্ছে, পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন করার আগে আপনাদের কয়েকটি বিষয় ভালোভাবে চিন্তা করতে হবে। যেহেতু সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রত্যেক বৈধ প্রবাসীর তথ্য সংরক্ষণ করে এবং এখানকার ভিসা প্রসেসিং সিস্টেম অত্যন্ত জটিল।






আবার ভিসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আপনার ব্যক্তিগত আইডি, মেডিকেল কার্ড, ব্যাংক কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ প্রতিষ্ঠানিক বিভিন্ন কাগজপত্র। বলা চলে, এগুলো একটির সঙ্গে আরেকটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই অদূর ভবিষ্যতে এই সংশোধনীর জন্যে আপনাকে বড় কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে কি-না বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

পাসপোর্টে তথ্যাদি সংশোধনীর বিষয়ে আজ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) নূর-এ মাহবুবা জয়া’র সঙ্গে আলাপ করি। তিনিও উপরের বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

তার ভাষ্য মতে, সংশোধন করতে ইচ্ছুক প্রবাসীরা ভবিষ্যতে এখানকার দাপ্তরিক কোনো সমস্যায় পড়বেন কি-না বিষয়টি স্থানীয় তহসিল বা ইমিগ্রেশন থেকে নিশ্চিত হওয়া উত্তম।

তিনি বলেন, আমরা সংশোধন করে দিলেও পরবর্তীতে ভিসা নবায়ন ও অন্যান্য কাজকর্মে এটির ব্যবহার করা খুব কষ্টকর হয়ে যাবে। অনেক ক্ষেত্রে প্রায় অসম্ভবও হয়ে যেতে পারে।






তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখানে একবছরের মধ্যে হলে এসব তথ্য পরিবর্তন করা যায়। সচরাচর পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন করলে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা সমস্যায় পড়ে যান। পরে দেখা যায় অনেকে পূর্বের তথ্যে নিয়ে আসতে পুনরায় আবেদন করেন। বিভিন্ন উপায়ে সমস্যার সমাধান খুঁজেন। কিন্তু এই বিষয়গুলো প্রথমেই মাথায় রাখলে পরে সমস্যায় পড়তে হয় না।

তবুও যেসকল প্রবাসীরা অতি প্রয়োজনে পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন করতে ইচ্ছুক তারা প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র নিয়ে দূতাবাস ও কনস্যুলেটে সরাসরি যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন তিনি।

About অনলাইন ডেস্ক

View all posts by অনলাইন ডেস্ক →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *